রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৭:৫১ পি.এম
৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ সারাদেশব্যাপী কালের যাত্রা পত্রিকায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা অভিজ্ঞতা ও জীবনবৃত্তান্ত অফিসিয়াল ঠিকানায় ইমেইল করুন।
অপহরণের পরে গুলিতে পা হারাল যুবক খুলনার তেরখাদা উপজেলার যুবক সাব্বির হোসেন অপহরণের পর নির্মমতার শিকার abc
  • দেশজুড়ে
    ট্যাগস : খুলনা
  • abc editor - ২৪ আগস্ট, ০৮:৪৮ পি.এম ২১৮

রাসেল আহমেদ তেরখাদা থেকেঃ

খুলনার তেরখাদা উপজেলার ধানখালী গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পের যুবক সাব্বির হোসেন ভূঁইয়া (২৪) কে অপহরণের পর নির্যাতন ও গুলিবিদ্ধ করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি তার বাম পা।দায়িত্বরত চিকিৎসক  অস্ত্রোপচার করে পা কেটে ফেলেন। এখন স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে বেঁচে আছেন সাব্বির।

সাব্বির ধানখালী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১ নম্বর ব্লকের ২ নম্বর ঘরের বাসিন্দা। খুলনার রেলিগেট এলাকার লেকভিউ হোটেলের হোটেলকর্মী হিসেবে কাজ করতেন তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য ছিলেন সাব্বির। তার বাবা শরিফুল ভূঁইয়া একজন ভ্যানচালক।

পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ কিছুদিন আগে সাব্বিরের স্ত্রী ঋতু বেগম স্বামীর কর্মস্থলে সংসার খরচের টাকা আনতে যান । এ সময় হোটেল মালিকের ভাগ্নে রাতুল তাকে আপত্তিকর প্রস্তাব দেয়। এই ঘটনায় সাব্বিরের সঙ্গে রাতুলের তর্ক হয় এবং পরবর্তীতে তিনি চাকরি ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসেন।

গত ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় ধানখালী ব্রিজের ওপর থেকে মুখ চেপে ধরে মোটরসাইকেলে করে অপহরণ করা হয় সাব্বিরকে। অভিযোগ আছে, ধানখালী গ্রামের ফিরোজ শেখের ছেলে রাসেল শেখ, দাউদ মোল্লার ছেলে সাব্বির মোল্লাসহ আরও কয়েকজন মিলে তাকে অপহরণ করে খুলনায় নিয়ে যায়।

সাব্বিরকে একটি ইটভাটায় নিয়ে গিয়ে তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। একপর্যায় তার বাম পায়ে গুলি করা হয়। নির্যাতনকারীরা দুর্ঘটনা হয়েছে এমন দাবি করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সীতে রেখে পালিয়ে যায়।

আহতের পরিবার দুই দিন পর খবর পেয়ে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় স্থানান্তর করে। সেখানে দীর্ঘ চিকিৎসার পর চিকিৎসকরা জানান, তার পা বাঁচানো সম্ভব নয় ।চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তে শেষমেশ তার পা কেটে ফেলতে হয় ।

সাব্বিরের বাবা শরিফুল ভূঁইয়া বলেন ছেলের যা অবস্থা হয়েছে তাতে চোখে ঘুম নেই। সংসার চলত ওর উপার্জনে এখন আমরা দিশেহারা।

ঘটনার পর তেরখাদা থানায় যোগাযোগ করলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, অপহরণ হয়েছে বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট এলাকায়, গুলি করা হয়েছে খুলনা সদর এলাকায়। তাই মামলা করতে হবে সংশ্লিষ্ট থানায়। তবে আমরা তদন্তে সহযোগিতা করব।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাতুল, রাসেল শেখ ও সাব্বির মোল্লার সঙ্গে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই বিভাগের আরও খবর
পাঠকের মন্তব্য
  • এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ খবর
Make Your Business Digital
10%
OFF
Domain only
1650 TK
5GB NVME Hosting
2500 TK
High Speed Website with High Security
Call : 01631101031
SPACE FOR ADD
200 x 350
SPACE FOR ADD
200 x 350