বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৮:০২ পি.এম
৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ সারাদেশব্যাপী কালের যাত্রা পত্রিকায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা অভিজ্ঞতা ও জীবনবৃত্তান্ত অফিসিয়াল ঠিকানায় ইমেইল করুন।
চট্টগ্রাম থেকে পাইপলাইনে শনিবার থেকে তেল যাবে ঢাকায় চট্টগ্রাম থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকায় জ্বালানি তেল সরবরাহের শুরু হচ্ছে। abc

চট্টগ্রাম থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকায় জ্বালানি তেল সরবরাহের পর এবার তা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্বল্প সময়ে পাইপলাইনে জ্বলানি তেল, বিশেষ করে ডিজেল পাঠানো সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় শনিবার প্রকল্পটি উদ্বোধন করবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

২০১৬ সালে পাইপলাইনে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় তেল পরিবহণে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। কিন্তু এর কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। তিন দফা মেয়াদ বাড়ানোর পর প্রকল্পটির কাজ শেষ হয় এ বছরের মার্চে।

বিপিসির পাইপলাইনে তেল সরবরাহের প্রকল্প পরিচালক আমিনুল হক  বলেন, প্রকল্পটি চালু হলে পাইপলাইনে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বছরে ২৭ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করা যাবে।

“গত দেড় মাস আমরা পরীক্ষামূলকভাবে সরবরাহ কার্যক্রম চালিয়েছি। তাতে কোন সমস্যা পাওয়া যায়নি। শনিবারে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে।প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি বছরের ২২ জুন পাইপ লাইন দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ডিজেল সরবরাহ শুরু হয়। গেল ৪ আগস্ট পর্যন্ত ৪ কোটি ৮২ লাখ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা গেছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা  বলেন, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে নদীপথে তেল নেওয়া হয় নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল ও ফতুল্লা ডিপোতে। এরপর সেখান থেকে সড়কপথে ঢাকায় তেল পরিবহণ করা হয়। এত বিপুল পরিমাণ খরচ পড়ত। পাইপলাইনে তেল সরবরাহ হলে এ খরচ কমবে।

তিনি বলেন, “প্রতি বছর প্রকল্প থেকে ৩২৬ কোটি টাকা আয় হবে। পরিচালন ব্যয় হিসেবে খরচ হবে বছরে ৯০ কোটি টাকা। এতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ টাকা সাশ্রয় হবে। প্রকল্পের খরচ ১৬ বছরের মধ্যে উঠে আসার কথা।”

প্রকল্প পরিচালক আমিনুল হক বলেন, “বর্তমানে নৌ ও সড়কপথে ডিজেল পরিবহণে যে খরচ হচ্ছে তা থেকে অনেক কমে পাইপ লাইনে জ্বালানি পরিবহন করা যাবে। রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বাদ দিয়ে বছরে ২৩৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে।”

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে ‘স্বল্প সময়ে, দ্রুত গতিতে’ তেল পরিবহণ করা যাবে। প্রতিকূল পরিবেশেও বিশেষ করে বিরূপ আবহাওয়াসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও তেল সরবরাহ করা যাবে। এতে করে পরিবেশ দূষণ ও ‘সিস্টেম লস’ রোধ করা সম্ভব হবে।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, এ পাইপলাইনের দুটি অংশ রয়েছে। একটি অংশ চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থেকে ফেনী, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ হয়ে নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল ডিপো পর্যন্ত। দ্বিতীয় অংশটি গোদনাইল থেকে ফতুল্লা পর্যন্ত। পাইপলাইন ছাড়াও প্রকল্পের আওতায় বুস্টার পাম্প, ৯টি জেনারেটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম রয়েছে।

শুরুতে এ প্রকল্পের ব্যয় ২ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা ধরা হলেও কয়েকদফা বেড়ে সে ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকায়। বিপিসির এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।

 

এই বিভাগের আরও খবর
পাঠকের মন্তব্য
  • এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ খবর
Make Your Business Digital
10%
OFF
Domain only
1650 TK
5GB NVME Hosting
2500 TK
High Speed Website with High Security
Call : 01631101031
SPACE FOR ADD
200 x 350
SPACE FOR ADD
200 x 350