বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০২:০০ এ.এম
২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৭ জিলহজ্জ ১৪৪৭ হিজরি
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ সারাদেশব্যাপী কালের যাত্রা পত্রিকায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা অভিজ্ঞতা ও জীবনবৃত্তান্ত অফিসিয়াল ঠিকানায় ইমেইল করুন।
সুবাইল বিন আলম নির্বাচনী আচরণবিধির আধুনিকায়ন কেন জরুরি। abc
  • মতামত
  • abc editor - ১৬ আগস্ট, ০৩:২৮ পি.এম ১৩১

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নির্বাচন যেন এক অদ্ভুত খেলায় পরিণত হয়েছে, যেখানে মাঠ আছে, বল আছে, খেলোয়াড়ও আছে, কিন্তু নিয়ম মানার সংস্কৃতি নেই। এ রকম অবস্থায় ২০২৫ সালের নির্বাচনী আচরণবিধি শুধু একটি আইন হবে না, এটি হবে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ পরীক্ষার একটি ‘প্রশ্নপত্র’।

নির্বাচনী আচরণবিধিতে আগের তুলনায় এবার কিছু নতুন বিষয় সন্নিবেশিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নতুন বাস্তবতায় আরও অনেক বিষয় আমাদের চিন্তাভাবনা করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে আমাদের নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে ড্রাফট (খসড়া) আচরণবিধিমালার ব্যাপারে মতামত দেওয়া হয়েছে। এখনো যা সময় আছে, তার মধ্যে সব কটিরই বাস্তবায়ন খুবই সম্ভব। 

  • নির্বাচন কমিশনের অধীন নির্বাচনী সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন জরুরি, এর সঙ্গে থাকবে ফ্যাক্ট চেকিং ও মনিটরিং সেল। 
  • ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’-এর জন্য নির্বাচনের আগেই মনিটরিং সেল গঠন জরুরি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য আলাদা আচরণবিধি থাকা উচিত। 
  • নির্বাচন পরিচালনার জন্য মূল যে তিনটি প্রতিষ্ঠান—প্রশাসন, পুলিশ ও রাজনৈতিক দল, এগুলোর সংস্কার নিয়ে কোনো দৃশ্যমান কাজই হয়নি। 

এখনকার দিনে নির্বাচন শুধু মাঠে হয় না, হয় টেলিভিশন, কম্পিউটার, এমনকি মুঠোফোনের স্ক্রিনেও। যুক্তরাজ্যের ‘ডিজিটাল ইম্প্রিন্ট ল’ যেমন বলে, অনলাইনে যে বিজ্ঞাপন দেবে, তার পরিচয় অবশ্যই প্রকাশ করতে হবে। একইভাবে আমাদের এখানেও ফেসবুক বুস্ট, স্পনসরড পোস্ট বা ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংয়ের খরচ নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে গণনা বাধ্যতামূলক করা উচিত। নইলে বিদেশি অর্থায়ন, গোপন প্রচার আর মিথ্যা বা অপতথ্যের বন্যা ভোটের স্বতঃস্ফূর্ত ইচ্ছাশক্তিকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে।

এ দেশে বিদেশি চ্যানেল দেদার চলছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ যে ডিজইনফরমেশন ছড়ায়, গত কয়েক মাসে তা ভালোভাবেই প্রমাণিত হয়েছে। নির্বাচনের সময় তাদের ছড়ানো মিস/ডিজইনফরমেশনের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের নির্বাচনে যখন বাইরের দেশের হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে, সেখানে আমাদের দেশের নির্বাচনে তা কোনভাবেই হবে না—এটা চিন্তা করলে ভুল হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) বা আই জেনারেটেড ছবি ও ভিডিওর ব্যাপকতা দেখা যাচ্ছে। এই ছবি ও ভিডিও বেশির ভাগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এগুলোর মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও ভুল ন্যারেটিভ প্রচার করা হচ্ছে। এআই জেনারেটেড এসব ছবি–ভিডিও অবশ্যই চিহ্নিত করতে হবে।

এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মতো নির্বাচন কমিশনের অধীন নির্বাচনী সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন জরুরি, এর সঙ্গে থাকবে ফ্যাক্ট চেকিং ও মনিটরিং সেল। পাশাপাশি প্রধান প্রধান সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (এমওইউ) বা সমঝোতা স্বাক্ষর করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কনটেন্ট ব্লক ও রিপোর্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকা দরকার।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ব্যক্তিগত তথ্য রাজনৈতিক প্রচারে ব্যবহার করা আইনত অপরাধ, বাংলাদেশেও এ ধরনের সুনির্দিষ্ট বিধান জরুরি।

এই বিভাগের আরও খবর
abc
১৬ আগস্ট, ০৩:২৬ পি.এম
abc
১৬ আগস্ট, ০৩:২৪ পি.এম
abc
১৬ আগস্ট, ০৩:১২ পি.এম
abc
১৬ আগস্ট, ০৩:০৬ পি.এম
পাঠকের মন্তব্য
  • এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ খবর
Make Your Business Digital
10%
OFF
Domain only
1650 TK
5GB NVME Hosting
2500 TK
High Speed Website with High Security
Call : 01631101031
SPACE FOR ADD
200 x 350
SPACE FOR ADD
200 x 350